তাই ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, বাড়িতে তৈরি করা কিছু বিশেষ ডিটক্স পানীয় নিয়মিত পান করলে লিভারের রোগ নিরাময় হয় এবং লিভারে অতিরিক্ত মেদ জমতে বাধা দেয়।
হলুদের মধ্যে থাকা কারকিউমিন এবং আনারসের প্রদাহনাশক উপাদান ব্রোমালিন লিভারের যেকোনো সমস্যা কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। এটি শরীরের প্রদাহ নাশ করার পাশাপাশি অম্বলের সমস্যা দূর করতে পারে।
তৈরি করার পদ্ধতি: এক কাপ আনারসের টুকরো, আধ চামচ হলুদ গুঁড়ো, ১ ইঞ্চি কাঁচা হলুদ, আধ ইঞ্চি আদা, আধ কাপ নারকেলের জল, ১ চামচ লেবুর রস এবং এক চিমটি গোলমরিচের গুঁড়ো একসঙ্গে ব্লেন্ডারে মিশিয়ে নিন। নিয়মিত সকালে বা বিকেলে এই পানীয়টি পান করলে লিভার সুস্থ থাকে।
শরীরের পুষ্টির ঘাটতি পূরণ এবং পেশির জোর বাড়াতে এই স্মুদি অত্যন্ত কার্যকরী একটি পানীয়।
তৈরি করার পদ্ধতি: ৫ থেকে ৬টি কাঠবাদাম সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। এর সঙ্গে ১টি শুকনো ডুমুর, ১ কাপ দুধ বা কাঠবাদামের দুধ, ১ চামচ চিয়া বীজ, আধ চামচ দারচিনি এবং ১ চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে নিন। একটি মিহি মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পর সেটি ফ্রিজে ঘণ্টা দুয়েক রেখে ঠান্ডা করে পান করতে পারেন।
শসাতে কোনো ফ্যাট বা চর্বি নেই এবং এর ক্যালোরির পরিমাণও বেশ কম। যাঁরা দ্রুত ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা দারুণ উপকারী। এছাড়া শসাতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট বিপাকহার (মেটাবলিজম) বাড়িয়ে ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে তরমুজে প্রচুর পরিমাণে জল থাকে এবং জিরে হজমশক্তি বৃদ্ধি করে খিদে নিয়ন্ত্রণ করে। তাই ওজন কমানো এবং লিভারের সুরক্ষায় এই স্মুদি খুবই কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
মন্তব্য করুন